কাটার দাগনিরাপদ সীমা: লেখা এর ভেতরে রাখুনছায়া দেওয়া কিনারা ব্লিড, কাটার সময় বাদ যায়
৩০০ ডিপিআই। PDF-এ দুই পাতায় দুই দিক থাকে, সরাসরি প্রেসে দেওয়া যায়।
কাটার দাগনিরাপদ সীমা: লেখা এর ভেতরে রাখুনছায়া দেওয়া কিনারা ব্লিড, কাটার সময় বাদ যায়
৩০০ ডিপিআই। PDF-এ দুই পাতায় দুই দিক থাকে, সরাসরি প্রেসে দেওয়া যায়।
iPhone বা iPad-এ Safari-র শেয়ার বাটনে চাপুন, তারপর Add to Home Screen বেছে নিন।
এই ফ্রি ভিজিটিং কার্ড মেকার দিয়ে কয়েক মিনিটেই ব্রাউজারে দুই পাশের প্রফেশনাল বিজনেস কার্ড ডিজাইন করুন। নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা লিখুন, পছন্দের ডিজাইন ও রং বেছে নিন, তারপর ৩০০ ডিপিআই PDF ডাউনলোড করে সরাসরি প্রেসে দিন। কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না, কোনো ওয়াটারমার্ক নেই, আর আপনার তথ্য আপনার ফোন বা কম্পিউটারেই থাকে।
সব লেখা নীল নিরাপদ সীমার ভেতরে রাখুন, কারণ কাটার সময় এক-দুই মিলিমিটার এদিক-ওদিক হতে পারে। প্রেসে PDF দেওয়ার সময় ব্লিড চালু রাখুন: ব্যাকগ্রাউন্ড কাটার দাগের ৩ মিমি বাইরে পর্যন্ত যায়, তাই কাটার পর সাদা কিনারা দেখা যায় না। মজবুত কার্ডের জন্য ৩০০–৩৫০ জিএসএম আর্ট কার্ড চাইতে পারেন। পুরো অর্ডারের আগে একটি কপি প্রিন্ট করে ফোনে QR কোড স্ক্যান করে দেখে নিন।
হ্যাঁ। যত খুশি কার্ড ডিজাইন, ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন। কোনো অ্যাকাউন্ট, ওয়াটারমার্ক বা পেইড প্ল্যান নেই।
বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রচলিত মাপ ৩.৫ × ২ ইঞ্চি (৮৮.৯ × ৫০.৮ মিমি)। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় ৯০ × ৫৫ মিমি এবং ইউরোপে ৮৫ × ৫৫ মিমি বেশি চলে। তিনটি মাপই এখানে আছে।
হ্যাঁ। এখানে পাঁচ ধরনের বাংলা ফন্ট আছে: আধুনিক (অনেক বাংলা), ঐতিহ্যবাহী (তিরো বাংলা ও নোটো সেরিফ বাংলা), পরিচ্ছন্ন (নোটো সান্স বাংলা), গোলগাল (বালু দা) এবং শৈল্পিক (গালাদা ও নোটো সান্স বাংলা)। যুক্তাক্ষর, কার-চিহ্ন ও বাংলা সংখ্যা ঠিকভাবে ছাপা হয়। ইংরেজি লেখা, ইমেইল ও ওয়েবসাইটও একই কার্ডে সুন্দরভাবে বসে।
ব্লিড হলো কার্ড কাটার দাগের বাইরে বাড়তি ব্যাকগ্রাউন্ড। প্রেসে অনেক কার্ড একসঙ্গে কাটা হয়, তাই অল্প ব্লিড থাকলে কিনারায় সাদা দাগ পড়ে না। প্রেসে ছাপার জন্য ৩ মিমি ব্লিড রাখুন, আর শুধু ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর জন্য বন্ধ রাখুন।
"কন্টাক্ট সেভ" অপশনে QR কোডে আপনার নাম, প্রতিষ্ঠান, পদবি, মোবাইল, ইমেইল, ওয়েবসাইট, ঠিকানা ও সোশ্যাল লিংক থাকে, তাই কেউ স্ক্যান করলে এক চাপেই আপনাকে কন্টাক্টে সেভ করতে পারে। "ওয়েবসাইট" অপশনে স্ক্যান করলে আপনার ওয়েবসাইট খোলে।
কার্ডটি আপনার ব্রাউজারেই তৈরি হয়, আর ডিজাইন আপনার ডিভাইসে শেষ পরিবর্তনের পর ৩০ দিন সেভ থাকে, যাতে পরে আবার কাজ করতে পারেন। যেকোনো সময় মুছে ফেলতে পারবেন। শুধু Apple Wallet বা Google Wallet-এ যোগ করলে পাস বানানোর জন্য তথ্য সার্ভারে যায়, এই সাইট তা রেখে দেয় না; তবে Google Wallet পাস Google নিজের সার্ভারে রাখে।
হ্যাঁ, বিনামূল্যে। iOS 27 বা নতুন সংস্করণের iPhone-এ "Apple Wallet-এ যোগ করুন" চাপলে Wallet-এর Create a Pass আপনার কার্ডের QR কোড থেকে পাস বানিয়ে দেয়। Android-এ "Google Wallet-এ যোগ করুন" চেপে Google Wallet-এর Everything else অপশন একইভাবে ব্যবহার করুন। চাইলে কন্টাক্ট ফাইল (.vcf) হিসেবেও সেভ করতে পারবেন।
হ্যাঁ। PDF ডাউনলোড করে মোটা কার্ড পেপারে ১০০% স্কেলে (fit to page নয়) প্রিন্ট করুন, তারপর কাটার দাগ ধরে কাটুন। বেশি সংখ্যক কার্ড আর পরিষ্কার কিনারার জন্য কাছের প্রেস থেকে ছাপানো ভালো।
iOS 27 বা নতুন সংস্করণের iPhone-এ Wallet একটি QR কোড থেকে পাস বানাতে পারে। কোনো অ্যাপ, অ্যাকাউন্ট বা টাকা লাগে না।
এই ভিউতে ডাউনলোড হয় না। ছবিতে রাইট-ক্লিক করে বা কিছুক্ষণ চেপে ধরে সেভ করুন।